সেদিন ছিলেম ব্যস্ত কাজে, হঠাৎ এলো বৃষ্টি,

হারায়ে গেল শৈশবে মন, খুললো মনের দৃষ্টি।

এভাবে বৃষ্টি ঝেঁপে এলেই শিশুকালে,

সোরগোল করে ভিজতেম ধনী-গরীব ভুলে।

“আয় বৃষ্টি ঝেঁপে” সুরে বৃষ্টির সেই গান,

শিল পড়লে মহানন্দে কুড়িয়ে খেতাম।

বৃষ্টি থেমে গেলে ছোটরা সকলে মিলে,

কাগজের নৌকো ভাসিয়ে দিতেম রাস্তার জমা জলে।

মায়ের হাতের গরম সেই খিচুড়ি-পাঁপড় ভাজা,

মহানন্দে খেতেম সকলে হতো ভারি মজা।

সন্ধ্যেবেলা ভুতের গল্প, তেলেভাজা আর মুড়ি,

সেই সভাতে যোগ দিত ছোট থেকে বুড়ো-বুড়ি।

রাতের বেলা শোবার সময় করতো ভূতের ভয়,

আঁকড়ে ধরে মায়ের আঁচল পেতেম অভয়।

কর্তার গলা পেয়ে হঠাৎ সম্বিত মোর ফেরে,

বর্তমানে চলে এলো মন অমল শৈশব ছেড়ে।

~ বৃষ্টি ভেজা অমল শৈশব ~

LEAVE A REPLY

*