কার্ত্তিক পূজার দিন। সন্ধেবেলা। আটচালাতে লোকজন আসছিল এক এক করে। সে বছর ময়নাপুরে ঠাণ্ডা বেশ ভালোই পড়েছিল। তখন কার্ত্তিক মাসের এক্কেবারে শেষের দিক। যে সব কুটুম-জন দুর্গা পূজা আর তারপরের বড় আকর্ষণ জগদ্ধাত্রী পূজাতে গ্রামে এসেছিল, তাদের মধ্যে অনেকেই কার্ত্তিক পূজার দিন আসতে আসতে যে যার বাড়ি কিম্বা নিজের নিজের কাজের জায়গাতে ফিরে গেছিল। কেও কেও, হাতে গোনা যাবে এমন কয়েকজনই, এত দিন থেকে যেতো আর বাকিরা ছুটি জোগাড় করতে পারতো না। কয়েক বছর আগেও যে কোন উৎসব অনুষ্ঠানে পেট্রোম্যাক্সে কেরোসিন ভরে লাইট-জ্বালানোটা ছিল একটা বিশেষ কাজ। এবং সেই কাজ গ্রামের মাত্র দু-চার জনই পারতো। আজ তো সুইচ টিপলেই আলো। আটচালাটিকে মাঝখানে রেখে চারি দিকে সমস্ত মন্দির, চণ্ডীমণ্ডপ, রাস-মঞ্চ, ভাঁড়ার-ঘর ইত্যাদি নিয়ে সেই মন্দির বেষ্টিত প্রাঙ্গণই ছিল ময়নাপুর গ্রামের সমস্ত কর্ম-কাণ্ডের প্রাণ-কেন্দ্র। গ্রামের বাচ্চারা একে একে জড়ো হয়েছিল আটচালাতে। কেও কেও দুরন্তপনা করছিল একটু আধটু, তবে মন দাদুকে পেলে প্রায় সকলেই বসে যেত গল্প শুনতে।

সেই সন্ধেতে মাংকি টুপি মাথায় পরে, চাদর গায়ে দিয়ে, মন দাদু এসেছিল আটচালায়, বাচ্চারা ঘিরে বসেছিল আর তারপর মন দাদুর গল্প শুরু হয়েছিল এই ভাবে…

শোন বাচ্চারা, একদিন সকাল বেলা নাপিত এসে খবর দিয়েছিল, “জেলে পাড়াতে বাঘে গরু মেরে গেছে ।” আমাদের ময়নাপুরের লোকজন তখনও কিছুই জানে না। এদিকে বংগাডির সাঁওতালরা কয়েকজন খবর পেয়েই এসেছিল জেলে পাড়াতে। তাদের একজন আবার খবর এনেছিল যে পাশের গ্রামেরও একটি গোয়াল থেকে গরু মেরে গেছে বাঘে, দশ পনের দিন আগে। আটচালার বাইরের দিকে বড় দরজার পাশে ধামসা পিঁড়িতে ধীরে ধীরে লোক জমা হতে শুরু করেছিল। পরে কিছু লোক আটচালাতেও জড় হয়েছিল।

মন দাদু বলে যাচ্ছিলেন তাঁর এক কাকু, নাম প্রমথেশ, যাকে গ্রামের সবাই গাডু বলে ডাকতো, তখন সে সাতাশ আটাশ বছরের সুপুরুষ। সে ছিল ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। সেদিন সকাল বেলা বাইরের কোন কাজে সে সাইকেল নিয়ে বেরিয়েছিল। আমরা যেখানে বসে আছি এই মন্দির ঘেরা আটচালার বাইরের দিকের পথ ধরে সে বড় দরজার সামনে এসেছিল। কারণ সিংহ-বাহিনী মায়ের মন্দিরে প্রণাম করে, তবেই সে বাইরে কোথাও কাজে বের হতো। বড় দরজার কাছে আসতেই, সব লোকজনের সাথে তার দেখা হয়ে গেছিল, এবং সাথে সাথে সেও তাদের কথাবার্তায় জড়িয়ে পড়েছিল।

 

এই ঘটনা অনেক বছর আগেকার, ১৯৩০ এর দশকের কথা, ময়নাপুর গ্রামের আদি চার ভাইের যে আলাদা আলাদা বাড়ি তার মধ্যে সেসময় সর্ব সাকুল্যে পঞ্চাশ জনের বেশী লোকজন ছিল না গ্রামে। আর ছিল আশে পাশের জঙ্গলের মাঝে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কয়েকটি একই রকমের ছোট ছোট গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে আমাদের যে তালপুকুর, একেবারে জঙ্গল ঘেঁষা, সেই পুকুর থেকে ঢিল ছোঁড়ার দূরত্বে যে জেলে-পাড়া, সেসময় সেখানে ছিল মাত্র তিন ঘর জেলেদের পরিবার। তাদেরই একজন বেঁকা-জেলের বাড়ির পিছনেই গোয়াল, সেখানেই বেশ বড়সড় একটি বাছুর কে মেরে পালিয়েছিল এক বাঘ। কারও কারও সন্দেহ ছিল চিতাবাঘ অর্থাৎ ‘লেপার্ড’। তবে যে সাঁওতাল রা অন্য গ্রামের গরু মারার খবর এনেছিল তারা বলেছিল বাঘই করেছিল সেই কাজ, চিতাবাঘ নয়।

গাডু-কাকার আর বাইরের কাজে যাওয়া হল না। বাড়িতে হাত-ব্যাগ টি পাঠিয়ে দিয়েই, তক্ষুনি সে গেছিল জেলে-পাড়াতে। রাস্তায় যেতে যেতেই অনেক কথাই তার জানা হয়ে গেছিল। তখন ময়নাপুরের চার ঘরের মধ্যে গাডু-কাকু ছাড়া আর মাত্র তিন জনার কাছেই ছিল সরকারি লাইসেন্স প্রাপ্ত বন্দুক। ছোট-খাট শিকার করার অভিজ্ঞতা তার ভালই ছিল। তবে বাঘ-শিকার বা মাচানে বসে বাঘ-শিকারিদের সাথে থাকার কোন সুযোগ তার জীবনে আসে নি কখনো। তবুও কিন্তু মনে মনে সে নিশ্চিত ছিল যে এই সুযোগ সে কোন মতেই ছাড়বে না। গ্রামের বা জেলে পাড়ার কারোরই এরকম সাহস হচ্ছিল না। অনেককেই সে বার বার করে জিজ্ঞাসা করেছিল, শুধু তার সাথে মাচানে বসে থাকতে, কেননা রাতভর অপেক্ষা করতে পারলে তবেই এই সুযোগ আসতে পারে। আশেপাশের দশ গ্রামের মধ্যে প্রায় সব লোকজনই জানতো গাডু-কাকার সাহসের কথা। বেঁকা-জেলে আর অন্য সব লোকজনকে, যারা সেখানে ছিল, তাদেরকে সে বার বার করে বারণ করে বলেছিল, “মরা বাছুরটিকে কেও যেন হাত পর্যন্ত না দেয়, সেখানের যা কিছু তা যেন ঠিক তেমনি ভাবেই রাখা থাকে।” দূরের কোন গ্রামের থেকে ডোম দের দু জন লোক এসে গেছিল গরুর চামড়ার খোঁজে। তাদেরকে বারণ করে দেওয়া হয়েছিল।

এরপর, গাডু-কাকা কাজের-জন্য কয়েক জন লোক জোগাড় করেছিল এবং ঠিক কি ভাবে বাঁশ আর শক্ত দড়ি দিয়ে পাশের বিরাট তেঁতুল গাছের উপর মাচান তৈরি করতে হবে সেটা তাদেরকে বেশ ভাল করে বুঝিয়ে দিয়েছিল। আর তারা যেন পুরো কাজটা বিকেলের মধ্যেই সেরে ফেলে তাও বলেছিল।

তারপর, গাডু-কাকা তার বয়েসের গ্রামের দুজনকে সাথে নিয়ে বেরিয়েছিল তার এক বন্ধুর বাড়ি। সাথের দুজনার এক জন সম্পর্কে তার কাকা অন্য জন সম্পর্কে তার ভাইপো। রাস্তায় পড়েছিল একটি সাঁওতাল দের ছোট্ট গ্রাম, সেখানে আবার একবার শুনেছিল যে বাঘে অন্য একটি গ্রামে, গবাডির মংলা সাঁওতালেরও গরু বেশ কিছু দিন আগে মেরেছিল। “তার মানে এই বাঘ জঙ্গলের জন্তু না মেরে, খুব সহজ উপায়ে গোয়ালের গরু মেরে যাচ্ছে, এই বাঘের উপদ্রব দিনে দিনে আরও বাড়বে, সুতরাং এ সুযোগ সে কাজে লাগাবেই, ব্যাস একবার তার বন্ধু বিরশা কে রাজি করতে পারলেই হল” গাডু-কাকা মনে মনে ভেবেছিল।

মন দাদু গল্প বলে যাচ্ছিলেন। গাডু-কাকা তার বন্ধু বিরশা খুড়োর বাড়িতে এসে সব কিছু জানাল তাকে। এই কথা শুনেই বিরশা খুড়োর মা তো কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছিল। দু বছর আগে এমনিই এক বাঘ শিকারের জন্য এক শিকারির সাথে বিরশা খুড়ো গেছিল, সে বার বাঘ তো পালিয়েছিল গুলি লাগার আগেই, কিন্তু কোনভাবে মাচানের উপর থেকে সে পা পিছলে যাওয়ার জন্য, বাঁ-পা-টা বাঁশে আটকে গিয়ে তার শরীর ঝুলে পড়েছিল নিচে। তারপর পায়ের মোচ আর ডান হাতের কনুই এর সরে যাওয়া হাড় নিয়ে সে বাড়ি ফিরে এসেছিল। সেবার সুস্থ হতে দু মাসেরও বেশী সময় লেগেছিল। এই কথা শুনে গাডু-কাকার ভাইপো, যার নাম সতু, সে মজা করে বলে উঠেছিল, “না না মাসিমা, কোন চিন্তা নেই, এবার কোন ঝুঁকি রাখব না, দুজনারই কোমরে শক্ত দড়ি বেঁধে মাচানের সাথে বেঁধে রাখব। হাত পা ভাঙ্গার কোন প্রশ্নই থাকবে না।” যাই হোক কোন রকমে সেই তিন জনা বিরশা খুড়োর বাড়ির সকলকে বুঝিয়েছিল। তারপর খাওয়া দাওয়া করে ময়নাপুরে ফিরেছিল।

গ্রামে ফিরে এসে তারা দেখেছিল সব ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ। শুধু মাচানটাকে আরও একটু মজবুত করার জন্য দড়ি দিয়ে ভাল করে বাঁধা চলছিল। একটা বাঁশের মই ছিল পাশেই। গাডু-কাকা, বিরশা খুড়ো আর সতু তিনজনই মাচানের উপরে উঠে ভাল করে দেখে নিয়েছিল। মাচান থেকে নিচে মরা গরুটাকে এক্কেবারে সোজা দেখা যাচ্ছিল। কোন কিছুই আড়াল ছিল না আর মাচানটা বেশ মজবুত হয়েছিল, অন্তত পাঁচ জন বসতে পারবে আরামে।

মন দাদু বলে যাচ্ছিল। তখনও ছিল শীতের সময়, ময়নাপুরে সন্ধ্যে যেন একটু বেশিই তাড়াতাড়ি হয়ে যায়। গাডু-কাকা বলে দিয়েছিল, “বিকেল থেকেই বেশী লোকজন যেন আর ঐ জায়গার আশেপাশে না যায়।” এই সব কথাবার্তা বলেই সে বেরিয়েছিল তার বন্ধুর বাড়ি। ঠিক কথামত বন্দুক সাথে নিয়ে দুই বন্ধু আর সতু সময় মত এসে গিয়েছিল বেঁকা-জেলের বাড়িতে। তারা বন্দুক দুটিকে খুব ভাল করে দেখে নিয়েছিল। লম্বা নল গুলিকে পরিষ্কার করে নিয়েছিল ভাল করে। নূতন কেনা এবং বেশ ভাল জায়গার তৈরি ছটরা-টোটা মানে গুলি সঙ্গে নিয়েছিল।

দেখতে দেখতে পশ্চিম আকাশ লাল হয়ে উঠেছিল। পাখিরা তাদের বাসাতে ফিরে যাচ্ছিল। সন্ধ্যে এবার হতে চলেছিল। তাদের মাচানে উঠার সময় হয়ে গিয়েছিল। এমন সময় সতুরও মনে একটু একটু করে সাহস জমা হয়েছিল, তার খুব ইচ্ছে হয়েছিল তিন জন এক সাথে মাচানের উপর থাকার জন্য। সুতরাং তারা তিনজনই উঠেছিল মাচানে। নিচের থেকে মইটা সরিয়ে রাখা হয়েছিল। অন্য লোকজন একে একে সরে গিয়েছিল সেখান থেকে।

তিনজন তাদের সব জিনিষপত্র নিয়ে তারা উঠেছিল মাচানের উপরে। জল একটি কাপড় দিয়ে ঢাকা ঘটি, যেটি সুতলি দড়ি দিয়ে সুন্দর করে তৈরি শিকাতে ঝুলান ছিল, গাছের ডালে। খুব দরকার হলে তবেই গলা ভেজানর জন্য। তার কারণ, জল খাওয়ার সাথে-সাথেই জুড়ে ছিল এক বিরাট সমস্যা, কেন না তার পরের যে কাজ টি, সেটি আর মাচানের উপরের থেকে সম্ভব ছিল না। আর তাছাড়া সেটির যে গন্ধ তা বহুদূর থেকেই বাঘ টের পেয়ে যায়। গাডু-কাকা বলেই রেখেছিল যতই ভয় লাগুক কেও যেন এই কাজটি না করে বসে মাচানের উপরে।

যাই হোক কয়েকটি মশা পৌঁছে গিয়েছিল সেই মাচানের উপরেও, কিন্তু থাপ্পড় মেরে তাদেরকে মারার যো নেই, বেশী জোরে কথা বলারও উপায় নেই। ঠায় বসে থাকা আর বিভিন্ন ইঙ্গিত ইশারা আর ফিসফিস করা, এই ভাবেই মিনিটের পর মিনিট পেরিয়ে যাচ্ছিল। একটু দূরে জেলে পাড়ার কোন ঘরে একটি শিশু কেঁদে উঠেছিল, হয়তো স্বপ্ন দেখে। তাল-পুকুরের জলের কাছে জঙ্গলি বেড়াল এসেছিল, মাছ ধরে খাওয়ার জন্য। জলের ঝাপটার বেশ কয়েকবার শব্দ হয়েছিল, গাডু-কাকার সেসব জানা ছিল, সে ইশারায় দুজনকে বুঝিয়ে দিয়েছিল সেকথা। রাতের পাখিরা নিঃশব্দে উড়ে যাচ্ছিল। এমন সব কত কিছুই ঘটে যাচ্ছিল, কিন্তু তারা তিন জনা যার অপেক্ষা শ্বাস-রোধ করে, মশার কামড় খেয়ে করে যাচ্ছিল, তার দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতের নিস্তব্ধতায় দূরের এবং কাছের বিভিন্ন শব্দ তখন তাদের রোমাঞ্চকর মনে হচ্ছিল। সেই রাতে ময়নাপুরের এবং জেলেপাড়ার বেশ কয়েক জন জেগেছিল আর অপেক্ষা করছিল।

ঘণ্টা খানেক পরে তাল পুকুরের দক্ষিণ পাড়ের দিকে এক জোড়া জ্বল জ্বল করা চোখের উপর দৃষ্টি পড়েছিল গাডু-কাকার। বিরশা খুড়ো আর সতুকে ইশারা করে দেখিয়েছিল। ধীরে ধীরে সেই জ্বলজ্বলে চোখ দুটি গোয়ালের পিছনের দিকের ঝোপের পাশ দিয়ে, ভাঙ্গা দেওয়ালের দিকে আসছিল, মনে হয় সে ওই পথেই আগের রাতে এসে, মেরে গিয়েছিল গরুটাকে। কিছুক্ষণের জন্য ছোট্ট-একজোড়া আলোর বিন্দুর মত দেখতে জ্বলন্ত চোখ দুটি আড়াল পড়ে যায়, তারপর প্রায় নিঃশব্দে ভাঙ্গা দেওয়াল টপকে মরা বাছুরটার এক্কেবারে পাশেই এসে গিয়েছিল বাঘটা। সম্পূর্ণ একাগ্র মনে নিশানা তৈরিই ছিল গাডু-কাকার। ঠিক সেই মুহূর্তে সে গুলি চালিয়েছিল। বাঘটা জখম হয়ে পালাবার চেষ্টা করেছিল, তার আগেই গাডু-কাকা পর পর আরও দু রাউন্ড গুলি চালায়। বন্দুকে টোটা ভরার কাজ খুব তাড়াতাড়ি করেছিল বিরশা খুড়ো। সে এই কাজ আগেও করেছিল। আর সতু, মাচানের বাঁশ শক্ত করে ধরে সে তখন ভয়ে কাঠ-কাপাস, ঠাণ্ডার মধ্যেও ঘেমে প্রায় নেয়ে উঠেছিল আর তার হাত পা একদম ঠাণ্ডা হয়ে গেছিল। তার মুখ দিয়ে কোন কথা বেরুচ্ছিল না।

বাঘ সেখানেই পড়ে গেছিল, আর উঠতে পারছিল না, কয়েক বার গর্জন করার পর, একেবারে নিস্তেজ হয়ে গেছিল। জেলে পাড়া থেকে লোক জন লাঠি আর লণ্ঠন হাতে হৈ হৈ করতে করতে বেরিয়ে এসেছিল।…

মন দাদুর যখন গল্প এতোটা বলা হয়েছিল, ঠিক তখনই, পাশে বসে থাকা তোতন নামের একটি ছোট্ট বাচ্চা বলে উঠেছিল তার তোতলা তোতলা কথায়, “আল সেই মলা বাঘটাকে নিয়ে কি কললে তোমলা?” মন দাদু তাকে বলেছিল, “তোর কত্তা-মা কে বলিস, তোকে ঠিক দেখাবে, সেই বাঘের নখ আর দাঁত, এখনও রাখা আছে তোদের বাড়ির একটা কুলুঙ্গিতে।”

 

~ ময়নাপুরে বাঘ ~
Print Friendly, PDF & Email
SHARE
Previous articleTamasha
Next articleChild-lifters
Chandrayee Bhattacharyya
বাড়ি বাঁকুড়া জেলার মন্দির-নগরী বিষ্ণুপুর শহরে, জন্ম সেখানেই। বাবার চাকরিসূত্রে গুজরাতে আসা। আর তার জন্যই স্কুল কলেজের পড়াশুনা গুজরাতের কাঠিয়াবাড় প্রান্ত থেকে। বর্তমানে ফার্মাকোলজি নিয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করে বরোডা সিটির একটি এম এন সি তে কর্মরত। মাতৃভাষা বাংলার সাথে শিশু অবস্থা থেকে কখনই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়নি। নিজের পড়াশুনোর মাধ্যমে ইংরেজি, হিন্দি এবং গুজরাতি শেখার সাথে সাথেই বাংলা বইও পড়তে ভালো লেগেছে বরাবরই।

LEAVE A REPLY

*