দুঃখের কষ্টিপাথর এ, নিজে কে করেছি যাচাই,

বুঝেছি দুঃখ টা দুঃখ নয়, সুখ পুরোটা ই।

ঝলমলে আলো তে যেমন জোনাকি পোকার সৌ্ন্দর্য্য উপলব্দ্ধি করা যায়ে না, পূ্র্ণিমা রাতে যেমন আকাশের তারকা ম্লান হয়ে যায়, তেমন ই দুঃখ না থাকলে সুখ টাও ফিকে হয়ে যায়। দুঃখ না থাকলে সুখ টা বুঝতাম কি করে। দুঃখ আপাত দৃষ্টি তে মনের জন্য কষ্টদায়ক, কিন্তু অনেক বড় শিক্ষক। জীবন কখনো সমান ভাবে চলে না। দুঃখ আসবেই, এবং তার দিকে পিছন না ঘুরে তাকে মোকাবিলা করতে  হবে।দুঃখ নেয় অনেক কিছু, তেমন দিয়ে যায় অনেক।জীবনের প্রত্যেক মুহুর্ত শিক্ষনীয়।

চলমান জীবনে আনন্দের খোঁজ করতে হবে।রাস্তা তে অপরের ভরসা বেরলে রাস্তা চেনা যায় না, তেমন ই নিজে দুঃখের মধ্যে দিয়ে না গেলে আনন্দ পাওয়া যায় না।তবে সেই আনন্দ হওয়া চাই বস্তু বর্জিত উচ্চমার্গের নির্মল প্রাকৃতিক আনন্দ। প্রকৃতি সেই আনন্দের দালি সাজিয়ে রয়েছে আমদের জন্য। উজার করে দিয়েছে আনন্দ। তাই হে বিশ্বপথিক, আনন্দের পথ টা খুজে নিও প্রকৃতি থেকেই।

 

~ দুঃখের পরে সুখ ~

SHARE
Previous articleShooting Star
Next articleআধুনিক জীবনের স্রোত – অন্তিম(৪র্থ) পর্ব
Debkumar Roy
আমি শ্রী দেবকুমার রায়। নিবাস- মানকুন্ডু, হুগলী, আদি নিবাস- বোড়াগোড়ী, বৈচি, হুগলী। আমি বর্তমানে optometry-এর ছাত্র। বই পড়া ও লেখা টা আমার শখ। প্রিয় লেখক হলেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, শীর্ষেন্দু মুখ্যোপাধ্যায় প্রমুখ লেখকের সৃষ্টি ভালো লাগে। সময় পেলেই নিজের মনের কথা লেখার খাতা তে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করি। সেই ফুটিয়ে তোলা লেখা কত টা সার্থক সেটা আপনাদের বিচার্য্য।

LEAVE A REPLY

*